jilliok একটি নাম নয়, এটা বাংলাদেশের লক্ষো বেটারদের বিশ্বাসের জায়গা। কীভাবে শুরু হলো, কোথায় যেতে চাই এবং কেন আমরা আলাদা — সব কিছু এই পাতায়।
বাজারে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে — তবু বাংলাদেশের লক্ষো মানুষ jilliok-কে বেছে নেন। কারণটা সহজ।
jilliok আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। ব্যবহারকারীদের তথ্য ও অর্থ সুরক্ষিত রাখতে আমরা ব্যাংকিং-মানের SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করি।
bKash, Nagad বা Rocket — যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল হয় কয়েক মিনিটে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার দিন শেষ।
jilliok-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় তৈরি। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই — সাপোর্ট থেকে গেম সব বাংলায়।
ক্রিকেট-ফুটবল বেটিং থেকে শুরু করে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, পোকার — সব ধরনের বিনোদন একটাই প্ল্যাটফর্মে।
মাত্র ২৮ MB-এর jilliok অ্যাপ 3G নেটওয়ার্কেও স্মুথভাবে চলে। গ্রামাঞ্চল থেকে শহর — সব জায়গায় একই অভিজ্ঞতা।
রাত ৩টায় সমস্যা হলেও jilliok-এর সাপোর্ট দল বাংলায় সাহায্য করতে প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা ফোনে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশের প্রতিটি বেটারকে নিরাপদ, সহজ ও ন্যায্য বেটিং পরিবেশ দেওয়া — যেখানে ভাষা ও প্রযুক্তি কোনো বাধা নয়।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারী-বান্ধব বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া — যেখানে জয়ের চেয়ে অভিজ্ঞতাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
দায়িত্বশীল বেটিংকে সবকিছুর উপরে রাখা। ব্যবহারকারীর সীমা, নিরাপত্তা ও সুখ — এই তিনটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে জরুরি।
বছর কয়েক আগের কথা। বাংলাদেশের বেটারদের একটা বড় সমস্যা ছিল — অনলাইনে যেসব বেটিং সাইট পাওয়া যেত, সেগুলো হয় ইংরেজিতে ভরা, নয়তো পেমেন্ট করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যেত। আর সাপোর্টে লিখলে উত্তর আসত ইংরেজিতে — যেটা সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে হতাশাজনক।
এই সমস্যাটা সমাধান করতেই jilliok-এর যাত্রা শুরু। একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও বেটিং বিশেষজ্ঞ মিলে ভাবলেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম বানাতে হবে যেটা সত্যিকার অর্থেই তাদের বোঝে। শুধু বাংলায় কথা বলে নয়, বরং তাদের পেমেন্ট পদ্ধতি, তাদের পছন্দের খেলা এবং তাদের ফোনের সীমাবদ্ধতা — সব মাথায় রেখে।
প্রথম দিন থেকেই jilliok-এ bKash ও Nagad সাপোর্ট ছিল। ইন্টারফেস ছিল পুরো বাংলায়। এবং সাপোর্ট টিম ছিল বাংলাদেশের মানুষদের নিয়ে — যারা নিজেরাও ক্রিকেট ভালোবাসেন, যারা জানেন বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের আবেগ কেমন।
jilliok আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। আমাদের সব কার্যক্রম স্বচ্ছ ও নিয়মসম্মত।
jilliok-এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো এটা বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ডিজাইন করা। ঢাকার কেউ যখন মেট্রোয় বসে ম্যাচ দেখছেন, বা সিলেটের কেউ চায়ের দোকানে ফোনে স্কোর চেক করছেন — jilliok অ্যাপ তাদের জন্যই তৈরি।
আমরা জানি বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি সবসময় একরকম থাকে না। তাই আমাদের অ্যাপ মাত্র ২৮ MB, 3G নেটওয়ার্কেও দ্রুত চলে। আমরা জানি এখানে বেশিরভাগ মানুষ মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করেন — তাই প্রথম দিন থেকেই bKash, Nagad ও Rocket সংযুক্ত।
ক্রিকেট আমাদের দেশের আবেগ। জাতীয় দলের একটা জয় পুরো দেশকে উৎসবে মাতিয়ে দেয়। jilliok-এ বাংলাদেশের ক্রিকেট ম্যাচের জন্য আছে ৮৫০-এর বেশি আলাদা বাজার — প্রতি বলে নতুন সুযোগ। এটা শুধু বেটিং নয়, এটা খেলার সাথে গভীরভাবে যুক্ত থাকার একটা উপায়।
অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে যারা বোনাসের শর্তগুলো ছোট ছোট হরফে লেখে, যাতে পড়তে কষ্ট হয়। jilliok-এ প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্পষ্ট বাংলায় লেখা। কোনো লুকানো ফি নেই। উইথড্রয়ালে কোনো অপ্রত্যাশিত কাটছাঁট নেই।
দায়িত্বশীল বেটিং আমাদের কাছে শুধু একটা স্লোগান নয়। jilliok-এ সদস্যরা নিজেই তাদের ডেইলি ডিপোজিট লিমিট, বেট লিমিট ও সেশন সময় নির্ধারণ করতে পারেন। কেউ বিরতি নিতে চাইলে সহজেই অ্যাকাউন্ট সাময়িক স্থগিত করতে পারেন।
আমরা বিশ্বাস করি, একজন বেটার যদি ভালো অভিজ্ঞতা পান এবং নিরাপদ অনুভব করেন, তাহলে তিনি দীর্ঘদিন আমাদের সাথে থাকবেন। তাই আমাদের লক্ষ্য কখনো দ্রুত মুনাফা নয় — বরং দীর্ঘমেয়াদী বিশ্বাস।
jilliok-এর টেক টিম প্রতি মাসে প্ল্যাটফর্ম আপডেট করে। ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাকই আমাদের সবচেয়ে বড় গাইড। ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন, পুশ নোটিফিকেশন, রিয়েল-টাইম অডস আপডেট — এই ফিচারগুলো ব্যবহারকারীদের অনুরোধেই এসেছে। আমরা একতরফা সিদ্ধান্ত নিই না, আমরা শুনি।
বাংলাদেশের বেটারদের জন্য বাংলায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ বেটিং প্ল্যাটফর্ম চালু। প্রথম মাসেই ৫,০০০ সদস্য নিবন্ধন।
bKash ও Nagad ইন্টিগ্রেশন চালু। গ্রাহক সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়। প্রথম VIP প্রোগ্রাম চালু।
jilliok-এ লাইভ বেটিং চালু। ক্রিকেট ম্যাচ সরাসরি দেখার সুবিধা। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ যোগ।
Android ও iOS অ্যাপ প্রকাশ। ৫ লক্ষ সদস্যের মাইলফলক। হাই রোলার Diamond প্রোগ্রাম শুরু।
৩,২০০+ গেম, ৪.৭ রেটিং, ৮৫০+ ক্রিকেট মার্কেট। jilliok এখন বাংলাদেশের শীর্ষ বেটিং প্ল্যাটফর্ম।
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের অগ্রদূত।
মোবাইল-ফার্স্ট আর্কিটেকচারে বিশেষজ্ঞ। jilliok অ্যাপের মূল ডিজাইনার।
UX গবেষক ও ডিজাইনার। বাংলা ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ অভিজ্ঞতা তৈরিতে নিবেদিত।
আইনগত সম্মতি ও দায়িত্বশীল বেটিং নিশ্চিত করেন। ব্যবহারকারীর সুরক্ষায় সর্বদা সক্রিয়।